Affiliate Service

Saturday, February 27, 2016


ভারতের বিপক্ষে গত বুধবারের ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে আটটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় দলটির সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে। ধ্রুবতারার জায়গা দখল করা মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে মাতামাতি হবে, তা অনেকটা অনুমেয় ছিল।

তবে প্রথম ম্যাচে বাঁহাতি বিস্ময়বালক সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে। তার বাঁহাতের কোনো কারুকার্যই সেদিন কাজে আসেনি। ৪ ওভার বোলিং করে রান খরচ করেছেন ৪০। তাও আবার বিনা উইকেটে। আইসিসি বর্ষসেরা দলে জায়গা পাওয়া একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটারের কাছ থেকে এমন পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা ভুল!

কিন্তু মুস্তাফিজের আদর্শ মাশরাফি সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘মুস্তাফিজ প্রতি ম্যাচে ভালো করবে এটা চিন্তা করা ভুল।’

মাশরাফি বিন মুর্তজার ভাষ্য, ‘মুস্তাফিজ একশ ম্যাচ খেলে একশ ম্যাচেই ভালো করবে, এটাতো হবে না। ক্রিকেটে এটা সম্ভবই না। এরকম প্রত্যাশা করাও ভুল। মুস্তাফিজের আগের ম্যাচে যা হয়েছে, এটাই বাস্তবতা।’

মাশরাফি আরো বলেন, ‘খারাপ ভালো মিলিয়ে ক্রিকেট। আজকের ম্যাচে সে প্রমাণ করেছে, ওর মানসিক অবস্থা কতটা ভালো। ওর কাটার হোক আর না হোক, খুব ভালো আচরণ প্রদর্শন করেছে। সুযোগ পাওয়ার পর থেকে সেরাটা খেলতে চেয়েছে, এখনও খেলতে চাচ্ছে।’

শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৪ ওভারে ১৩ রানে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে তার ডট বল ছিল ১৮টি।

বাম কাঁধের ইনজুরি কাটিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরেন সাতক্ষীরার এ তারকা। প্রথম ম্যাচে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কারিশমা দেখিয়েছেন। এশিয়া কাপে বাংলাদেশের এখনো দুটি ম্যাচ রয়েছে। এরপর বিশ্বকাপ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিশ্বকাপে মুস্তাফিজ ফিরবেন আগ্নেয়গিরি হিসেবে, সেই প্রত্যাশাই টাইগার সমর্থকদের।

t20

‘মুস্তাফিজ প্রতি ম্যাচে ভালো করবে, এটা ভুল’


ভারতের বিপক্ষে গত বুধবারের ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে আটটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় দলটির সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে। ধ্রুবতারার জায়গা দখল করা মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে মাতামাতি হবে, তা অনেকটা অনুমেয় ছিল।

তবে প্রথম ম্যাচে বাঁহাতি বিস্ময়বালক সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে। তার বাঁহাতের কোনো কারুকার্যই সেদিন কাজে আসেনি। ৪ ওভার বোলিং করে রান খরচ করেছেন ৪০। তাও আবার বিনা উইকেটে। আইসিসি বর্ষসেরা দলে জায়গা পাওয়া একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটারের কাছ থেকে এমন পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা ভুল!

কিন্তু মুস্তাফিজের আদর্শ মাশরাফি সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘মুস্তাফিজ প্রতি ম্যাচে ভালো করবে এটা চিন্তা করা ভুল।’

মাশরাফি বিন মুর্তজার ভাষ্য, ‘মুস্তাফিজ একশ ম্যাচ খেলে একশ ম্যাচেই ভালো করবে, এটাতো হবে না। ক্রিকেটে এটা সম্ভবই না। এরকম প্রত্যাশা করাও ভুল। মুস্তাফিজের আগের ম্যাচে যা হয়েছে, এটাই বাস্তবতা।’

মাশরাফি আরো বলেন, ‘খারাপ ভালো মিলিয়ে ক্রিকেট। আজকের ম্যাচে সে প্রমাণ করেছে, ওর মানসিক অবস্থা কতটা ভালো। ওর কাটার হোক আর না হোক, খুব ভালো আচরণ প্রদর্শন করেছে। সুযোগ পাওয়ার পর থেকে সেরাটা খেলতে চেয়েছে, এখনও খেলতে চাচ্ছে।’

শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৪ ওভারে ১৩ রানে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে তার ডট বল ছিল ১৮টি।

বাম কাঁধের ইনজুরি কাটিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরেন সাতক্ষীরার এ তারকা। প্রথম ম্যাচে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কারিশমা দেখিয়েছেন। এশিয়া কাপে বাংলাদেশের এখনো দুটি ম্যাচ রয়েছে। এরপর বিশ্বকাপ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিশ্বকাপে মুস্তাফিজ ফিরবেন আগ্নেয়গিরি হিসেবে, সেই প্রত্যাশাই টাইগার সমর্থকদের।

12:36 PM Share:

Thursday, February 25, 2016

http://worldcup-24.blogspot.com

‘এই পাঁচ বছর যদি সে খেলত, এখন বিশ্বের সেরা তিনজন বোলারের মধ্যে থাকত’—দুই দিন আগে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি এভাবেই প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন মোহাম্মদ আমিরকে। বাংলাদেশেই বিপিএলে দারুণ খেলা বড় ভূমিকা রেখেছে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ​সাড়ে পাঁচ বছর পর ফিরে আসার পেছনে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর এই প্রথম আমির এলেন বাংলাদেশে। আজ দুপুরে টিম হোটেলে দেখা মিলল পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারের।
স্পট ফিক্সিংয়ে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আমির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন গত জানুয়ারিতে। যদিও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পারফরম্যান্স বলার মতো হয়নি। তিন ম্যাচে পেয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। তবে ওয়ানডেতে বেশ উজ্জ্বলই ছিলেন, ২ ম্যাচে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
আমিরের সামনে এবার আরও বড় সুযোগ। ৬ বছর পর খেলতে যাচ্ছেন এশিয়া কাপে। সময়ের সঙ্গে পাল্টেছে এই টুর্নামেন্টের ধরন। দীর্ঘ বিরতির কারণে এশিয়া কাপ আমিরের কাছে খানিকটা অপরিচিত হলেও মাঠ কিন্তু তাঁর যথেষ্ট চেনা। গত নভেম্বরে-ডিসেম্বরে এখানেই খেলে গিয়েছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল)।
এর আগে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও বিপিএলের ‘আন্তর্জাতিক’ আবহ অনেকটাই সাহায্য করেছে তাঁর আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি ছন্দ ফিরে পেতে। আমিরও স্বীকার করলেন, ‘বিপিএল খুব উপভোগ করেছিলাম। এটা আমাকে অনেক সহায়তা করেছে।’
চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে বিপিএলে আমির ৯ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৪ উইকেট, যেটি দলের হয়ে সর্বোচ্চ। চিটাগংয়ের কথা উঠতেই আমিরের মনে পড়ল দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। পিএসএলে দুজন ভিন্ন দুটি দলের হয়ে খেললেও সেখানেও দেখা হয়েছে। আমিরর আগ্রহ নিয়েই জানতে চাইলেন, ‘তামিম কোথায়?’ সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে বাঁহাতি ওপেনার এখন ব্যাংককে। সেটা শুনে বললেন, ‘তামিম এবং ওর পরিবারের জন্য শুভকামনা। পিএসলেও তো দারুণ খেলেছে তামিম।’
পাকিস্তান সুপার লিগে সত্যি দুর্দান্ত খেলেছেন বাংলাদেশের ওপেনার। ৬ ম্যাচে ৬৬.৭৫ গড়ে রান করেছেন ২৬৭। এশিয়া কাপে সেই ফর্মটা ধরে রাখতে পারলে বাংলাদেশেরই ভালো হতো। তামিমকে আমিরের ‘মিস’ করাটা নেহাতই বন্ধুত্ব থেকে। প্রতিপক্ষ হিসেবে তামিমের না-থাকাটা আমিরের জন্য অবশ্যই সুখবর।
বাংলাদেশ দলের আলোচিত পেসার মুস্তাফিজুর রহমান যে তাঁর বোলিং ভীষণ পছন্দ করেন জানতেই মৃদু হাসলেন, ‘হ্যাঁ, জানি। ওর সঙ্গে এর দেখা-কথা হয়েছে।’
কাল ঢাকায় পা রেখেছে পাকিস্তান দল। আজ ছিল না কোনো অনুশীলন কিংবা সংবাদ সম্মেলন। খেলোয়াড়েরা অধিকাংশ সময় ব্যস্ত ছিলেন স্টার স্পোর্টসের ফটোশুটে। তবে আমির হাভভাবে বুঝে দিলেন, পাকিস্তান আসল ছবিটার ফ্রেমেই নিজেদের তুলে ধরতে চায়। ফাইনাল জিতে ট্রফি হাতেই!
t20

তামিমের খোঁজে আমির

http://worldcup-24.blogspot.com

‘এই পাঁচ বছর যদি সে খেলত, এখন বিশ্বের সেরা তিনজন বোলারের মধ্যে থাকত’—দুই দিন আগে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি এভাবেই প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন মোহাম্মদ আমিরকে। বাংলাদেশেই বিপিএলে দারুণ খেলা বড় ভূমিকা রেখেছে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ​সাড়ে পাঁচ বছর পর ফিরে আসার পেছনে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর এই প্রথম আমির এলেন বাংলাদেশে। আজ দুপুরে টিম হোটেলে দেখা মিলল পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারের।
স্পট ফিক্সিংয়ে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আমির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন গত জানুয়ারিতে। যদিও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পারফরম্যান্স বলার মতো হয়নি। তিন ম্যাচে পেয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। তবে ওয়ানডেতে বেশ উজ্জ্বলই ছিলেন, ২ ম্যাচে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
আমিরের সামনে এবার আরও বড় সুযোগ। ৬ বছর পর খেলতে যাচ্ছেন এশিয়া কাপে। সময়ের সঙ্গে পাল্টেছে এই টুর্নামেন্টের ধরন। দীর্ঘ বিরতির কারণে এশিয়া কাপ আমিরের কাছে খানিকটা অপরিচিত হলেও মাঠ কিন্তু তাঁর যথেষ্ট চেনা। গত নভেম্বরে-ডিসেম্বরে এখানেই খেলে গিয়েছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল)।
এর আগে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও বিপিএলের ‘আন্তর্জাতিক’ আবহ অনেকটাই সাহায্য করেছে তাঁর আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি ছন্দ ফিরে পেতে। আমিরও স্বীকার করলেন, ‘বিপিএল খুব উপভোগ করেছিলাম। এটা আমাকে অনেক সহায়তা করেছে।’
চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে বিপিএলে আমির ৯ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৪ উইকেট, যেটি দলের হয়ে সর্বোচ্চ। চিটাগংয়ের কথা উঠতেই আমিরের মনে পড়ল দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। পিএসএলে দুজন ভিন্ন দুটি দলের হয়ে খেললেও সেখানেও দেখা হয়েছে। আমিরর আগ্রহ নিয়েই জানতে চাইলেন, ‘তামিম কোথায়?’ সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে বাঁহাতি ওপেনার এখন ব্যাংককে। সেটা শুনে বললেন, ‘তামিম এবং ওর পরিবারের জন্য শুভকামনা। পিএসলেও তো দারুণ খেলেছে তামিম।’
পাকিস্তান সুপার লিগে সত্যি দুর্দান্ত খেলেছেন বাংলাদেশের ওপেনার। ৬ ম্যাচে ৬৬.৭৫ গড়ে রান করেছেন ২৬৭। এশিয়া কাপে সেই ফর্মটা ধরে রাখতে পারলে বাংলাদেশেরই ভালো হতো। তামিমকে আমিরের ‘মিস’ করাটা নেহাতই বন্ধুত্ব থেকে। প্রতিপক্ষ হিসেবে তামিমের না-থাকাটা আমিরের জন্য অবশ্যই সুখবর।
বাংলাদেশ দলের আলোচিত পেসার মুস্তাফিজুর রহমান যে তাঁর বোলিং ভীষণ পছন্দ করেন জানতেই মৃদু হাসলেন, ‘হ্যাঁ, জানি। ওর সঙ্গে এর দেখা-কথা হয়েছে।’
কাল ঢাকায় পা রেখেছে পাকিস্তান দল। আজ ছিল না কোনো অনুশীলন কিংবা সংবাদ সম্মেলন। খেলোয়াড়েরা অধিকাংশ সময় ব্যস্ত ছিলেন স্টার স্পোর্টসের ফটোশুটে। তবে আমির হাভভাবে বুঝে দিলেন, পাকিস্তান আসল ছবিটার ফ্রেমেই নিজেদের তুলে ধরতে চায়। ফাইনাল জিতে ট্রফি হাতেই!

11:30 PM Share:


তাঁর স্পট ফিক্সিং-কলঙ্ক এখন অতীত, পাকিস্তান দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ আমির। শুধু ফেরেননি, ভালোও করছেন। এবং এটা অন্তত প্রমাণ করতে পেরেছেন যে ক্রিকেট থেকে দীর্ঘ নির্বাসন তাঁর সামর্থ্যে আঁচড় কাটতে পারেনি। এই মুহূর্তে আমির যখন নিজেকে আরও ধারালো করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার আকিব জাভেদের মন্তব্য তাঁর মন খারাপ করে দিতে পারে। আকিব এখনো মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন আমিরকে পাকিস্তান দলে ফেরানোটা ঠিক হয়নি। 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোচ এখন আকিব। ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান দলের অন্যতম এই সদস্য আমিরের অপরাধ ক্ষমা করতে রাজি নন অন্য একটা কারণে। ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফের সঙ্গে আমিরের স্পট-ফিক্সিং কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছিল, ওই সফরে পাকিস্তান দলের বোলিং কোচ ছিলেন আকিবই। এখনো তিনি আমির-আসিফ ও বাটের ঘটনায় নিজেকে ‘প্রতারিত’ মনে করেন, ‘আমি এখনো নিজেকে প্রতারিত মনে করি। খুবই বাজে ঘটনা ছিল সেটা। আমি সব সময়ই আমিরের পাকিস্তান দলে ফেরার বিরোধিতা করি। প্রত্যেকেরই কিছু নির্দিষ্ট মত থাকে। আমিরের ব্যাপারে আমার মত এমনই।’ 
আকিবের মতোই আমিরের ফেরার বিরোধিতা করেছিলেন পাকিস্তানের অনেক সাবেক ক্রিকেটার। রমিজ রাজা, ইনজামাম-উল হক থেকে শুরু করে অনেকেই। আমিরের ফেরার ঘটনায় তো জাতীয় দলের ক্যাম্পই বর্জন করেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ ও ওয়ানডে অধিনায়ক আজহার আলী। আকিব জাভেদ অবশ্য আমিরের ফেরাটাকে ‘আইসিসির ইচ্ছা’ হিসেবেই দেখতে চান, ‘আইসিসি চেয়েছে পাঁচ বছরের নির্বাসন শেষে আমির ফিরুক, সে জন্যই সে ফিরেছে। আমার বিষয়টা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। সবচেয়ে বড় কথা আমি এটা নিয়ে মাথাই ঘামাই না। আমি আমার ভাবনা-বিশ্বাস নিয়েই থাকি। যেহেতু সে দলে ফিরেছে, এখন নতুন করে শুরু করুক। নিজের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিক। তবে আজ থেকে ছয় বছর আগে আমির যা করেছিল, তা আজও আমাকে ব্যথাতুর করে তোলে।’ সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
t20

আমিরকে ফেরানো ঠিক হয়নি, বলছেন আকিব



তাঁর স্পট ফিক্সিং-কলঙ্ক এখন অতীত, পাকিস্তান দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ আমির। শুধু ফেরেননি, ভালোও করছেন। এবং এটা অন্তত প্রমাণ করতে পেরেছেন যে ক্রিকেট থেকে দীর্ঘ নির্বাসন তাঁর সামর্থ্যে আঁচড় কাটতে পারেনি। এই মুহূর্তে আমির যখন নিজেকে আরও ধারালো করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার আকিব জাভেদের মন্তব্য তাঁর মন খারাপ করে দিতে পারে। আকিব এখনো মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন আমিরকে পাকিস্তান দলে ফেরানোটা ঠিক হয়নি। 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোচ এখন আকিব। ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান দলের অন্যতম এই সদস্য আমিরের অপরাধ ক্ষমা করতে রাজি নন অন্য একটা কারণে। ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফের সঙ্গে আমিরের স্পট-ফিক্সিং কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছিল, ওই সফরে পাকিস্তান দলের বোলিং কোচ ছিলেন আকিবই। এখনো তিনি আমির-আসিফ ও বাটের ঘটনায় নিজেকে ‘প্রতারিত’ মনে করেন, ‘আমি এখনো নিজেকে প্রতারিত মনে করি। খুবই বাজে ঘটনা ছিল সেটা। আমি সব সময়ই আমিরের পাকিস্তান দলে ফেরার বিরোধিতা করি। প্রত্যেকেরই কিছু নির্দিষ্ট মত থাকে। আমিরের ব্যাপারে আমার মত এমনই।’ 
আকিবের মতোই আমিরের ফেরার বিরোধিতা করেছিলেন পাকিস্তানের অনেক সাবেক ক্রিকেটার। রমিজ রাজা, ইনজামাম-উল হক থেকে শুরু করে অনেকেই। আমিরের ফেরার ঘটনায় তো জাতীয় দলের ক্যাম্পই বর্জন করেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ ও ওয়ানডে অধিনায়ক আজহার আলী। আকিব জাভেদ অবশ্য আমিরের ফেরাটাকে ‘আইসিসির ইচ্ছা’ হিসেবেই দেখতে চান, ‘আইসিসি চেয়েছে পাঁচ বছরের নির্বাসন শেষে আমির ফিরুক, সে জন্যই সে ফিরেছে। আমার বিষয়টা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। সবচেয়ে বড় কথা আমি এটা নিয়ে মাথাই ঘামাই না। আমি আমার ভাবনা-বিশ্বাস নিয়েই থাকি। যেহেতু সে দলে ফিরেছে, এখন নতুন করে শুরু করুক। নিজের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিক। তবে আজ থেকে ছয় বছর আগে আমির যা করেছিল, তা আজও আমাকে ব্যথাতুর করে তোলে।’ সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

7:08 PM Share:

Wednesday, February 24, 2016

http://worldcup-24.blogspot.com/

একপাশে যাওয়া আসার ছোটখাটো মিছিল। একে একে দেউটি নেভার মতো নিভে গেলেন ধাওয়ান, কোহলি, রায়না। একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন যিনি সেই রোহিত শর্মার ব্যাটিং-দীপেও দমকা বাতাস লাগাল তাসকিন-ঝড়। কিন্তু নিভতে নিভতে নিভল না। পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা সাকিব হাতে এসে পড়া বলটা রাখতে পারলেন না! রোহিত স্টিভ ওয়াহ নন। হলে হয়তো বলাই যেত, ‘ম্যাচটাই তো ফেলে দিলে বাছা!’
বিশের আশপাশে ফেরার কথা ছিল যাঁর, সেই রোহিত ব্যাটিংয়ে বিষ ছড়িয়ে ফিফটি পার করে সেঞ্চুরিই করে ফেলছিলেন প্রায়। ২৮ বলে ২১ করে ফেরার কথা যাঁর, সেই তিনি শেষ পর্যন্ত ৫৫ বলে ৮৩ করে ফিরলেন। চাপে হাঁসফাঁস করতে থাকা ভারতের ৫২ রানে চার উইকেট হারিয়ে আরও কোণঠাসা হওয়ার কথা ছিল। সেই তারাই চাপটা পুরো চালান করে দিল বাংলাদেশের ওপর। এই ক্যাচটাই শেষে হয়ে গেল ম্যাচের ফল নির্ধারক। ভারতের ৬ উইকেটে করা ১৬৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে করল ১২১। ম্যাচ হারল ৪৫ রানে।
৩২ বলে ৪৪ করা সাব্বিরই যা একটু লড়াই করলেন। বাংলাদেশের ইনিংসে বলার মতো আর কিছু নেই। এক বাক্যেই শেষ! এশিয়া কাপের শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। অথচ বৃষ্টি-শঙ্কা মাথায় নিয়ে শুরু হওয়া ম্যাচটায় অন্য এক আনন্দের বর্ষণে ভেজার প্রতিশ্রুতিই ছিল। 
সাকিব পরে বোলিংয়ে এসে যুবরাজ সিংয়ের উইকেটটি তুলে নিয়ে কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করেছেন বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু উল্টো বাংলাদেশের জন্য সেটিই পরে হয়ে গেছে ‘বর’-এ ‘শাপ’! যুবরাজের পর ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ বলে ৩১ করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া, যুবরাজ যেখানে ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের সেই ব্যাটিংটা মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন খুটখুট করে খেলে। ব্যাটিংয়েও সাকিব দলের বিপদ বাড়িয়েছেন ৮ বলে ৩ রান করে রান আউট হয়ে। বাংলাদেশের বহু স্মরণীয় দিনের নায়ক সাকিবের জন্য আজকের রাতটা যেন ভুলে যাওয়ার রাত!
অথচ সবকিছুই ছিল বাংলাদেশের মুঠোয়। আগের দুই ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে একাদশ ওভারে ফেরা তাসকিন তৃতীয় বলেই পেতে পারতেন উইকেটটি। প্রথম দুই বলে সজোরে ব্যাট চালিয়েও লাগাতে পারেনি রোহিত। টানা দুটি ডট বলে ভারতীয় ওপেনারকে চাপে ফেলার পুরস্কার প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন। সাকিব ক্যাচ ফেলার পর হতাশায় মাথা নাড়লেন, তাসকিন তখনো জানতেন না, বড় হতাশা অপেক্ষা করছে আরও পরে। ওই ওভারের চতুর্থ বলেই চার, পঞ্চম বলে ছক্কা, ষষ্ঠ বলে আবার চার! তাসকিন কেন, বাংলাদেশ তখনো জানত না, আরও বড় ঝড় আসছে সামনে।
এই ক্যাচ ফেলাটা কত বড় ভূমিকা রেখেছে ভারতের ইনিংসে? প্রথম ৬৩ বলে ৫২। পরের ৫৭ বলে ভারত তুলল ১১৪। ওই ক্যাচের আগে রান রেট যেখানে ছয়ের নিচে, পরের ৫৭ বলে সেটি গেল ১২তে! জীবন ফিরে পাওয়ার পর রোহিত ২৫ বলে করলেন ৬২। প্রথম দশ ওভারে মাত্র চারটি চার মারা ভারত, পরের দশ ওভার মারল ১১টি চার আর পাঁচটি ছক্কা!
অথচ তাসকিনের করা ইনিংসের প্রথম বলটা থেকেই বাংলাদেশ কী দুর্দান্ত শুরুটাই না করেছিল। দ্বিতীয় ওভারে আল-আমিন স্টাম্প উপড়ে ফেললেন শিখর ধাওয়ানের। মুস্তাফিজের তৈরি করা চাপ থেকে মুক্তি পেতে কোহলি যেন আত্মসমর্পণই করলেন মাশরাফির করা পঞ্চম ওভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে। অষ্টম ওভারে রায়নাকে বোল্ড করে দিলেন পার্টটাইম স্পিনার মাহমুদউল্লাহ। 
সবকিছু কেমন ভোজবাজির মতো বদলে যেতে থাকল একাদশ ওভারের তৃতীয় বলে রোহিত বেঁচে যাওয়ার পর। বদলে যাওয়ার ছবিটায় সবচেয়ে বড় চোখে বিঁধল—মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য! ভারতের বিপক্ষে এই প্রথম বোলিং করে উইকেট পেলেন না সেই আলোচিত তিন ওয়ানডের সিরিজে রেকর্ড ১৩ উইকেট নেওয়া এই পেসার!
ওই একটা ক্যাচ...ওই একটা ক্যাচ...!
virat kohli

সাকিবের ক্যাচ ফেলাটাই তো পোড়াল!

http://worldcup-24.blogspot.com/

একপাশে যাওয়া আসার ছোটখাটো মিছিল। একে একে দেউটি নেভার মতো নিভে গেলেন ধাওয়ান, কোহলি, রায়না। একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন যিনি সেই রোহিত শর্মার ব্যাটিং-দীপেও দমকা বাতাস লাগাল তাসকিন-ঝড়। কিন্তু নিভতে নিভতে নিভল না। পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা সাকিব হাতে এসে পড়া বলটা রাখতে পারলেন না! রোহিত স্টিভ ওয়াহ নন। হলে হয়তো বলাই যেত, ‘ম্যাচটাই তো ফেলে দিলে বাছা!’
বিশের আশপাশে ফেরার কথা ছিল যাঁর, সেই রোহিত ব্যাটিংয়ে বিষ ছড়িয়ে ফিফটি পার করে সেঞ্চুরিই করে ফেলছিলেন প্রায়। ২৮ বলে ২১ করে ফেরার কথা যাঁর, সেই তিনি শেষ পর্যন্ত ৫৫ বলে ৮৩ করে ফিরলেন। চাপে হাঁসফাঁস করতে থাকা ভারতের ৫২ রানে চার উইকেট হারিয়ে আরও কোণঠাসা হওয়ার কথা ছিল। সেই তারাই চাপটা পুরো চালান করে দিল বাংলাদেশের ওপর। এই ক্যাচটাই শেষে হয়ে গেল ম্যাচের ফল নির্ধারক। ভারতের ৬ উইকেটে করা ১৬৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে করল ১২১। ম্যাচ হারল ৪৫ রানে।
৩২ বলে ৪৪ করা সাব্বিরই যা একটু লড়াই করলেন। বাংলাদেশের ইনিংসে বলার মতো আর কিছু নেই। এক বাক্যেই শেষ! এশিয়া কাপের শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। অথচ বৃষ্টি-শঙ্কা মাথায় নিয়ে শুরু হওয়া ম্যাচটায় অন্য এক আনন্দের বর্ষণে ভেজার প্রতিশ্রুতিই ছিল। 
সাকিব পরে বোলিংয়ে এসে যুবরাজ সিংয়ের উইকেটটি তুলে নিয়ে কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করেছেন বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু উল্টো বাংলাদেশের জন্য সেটিই পরে হয়ে গেছে ‘বর’-এ ‘শাপ’! যুবরাজের পর ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ বলে ৩১ করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া, যুবরাজ যেখানে ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের সেই ব্যাটিংটা মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন খুটখুট করে খেলে। ব্যাটিংয়েও সাকিব দলের বিপদ বাড়িয়েছেন ৮ বলে ৩ রান করে রান আউট হয়ে। বাংলাদেশের বহু স্মরণীয় দিনের নায়ক সাকিবের জন্য আজকের রাতটা যেন ভুলে যাওয়ার রাত!
অথচ সবকিছুই ছিল বাংলাদেশের মুঠোয়। আগের দুই ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে একাদশ ওভারে ফেরা তাসকিন তৃতীয় বলেই পেতে পারতেন উইকেটটি। প্রথম দুই বলে সজোরে ব্যাট চালিয়েও লাগাতে পারেনি রোহিত। টানা দুটি ডট বলে ভারতীয় ওপেনারকে চাপে ফেলার পুরস্কার প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন। সাকিব ক্যাচ ফেলার পর হতাশায় মাথা নাড়লেন, তাসকিন তখনো জানতেন না, বড় হতাশা অপেক্ষা করছে আরও পরে। ওই ওভারের চতুর্থ বলেই চার, পঞ্চম বলে ছক্কা, ষষ্ঠ বলে আবার চার! তাসকিন কেন, বাংলাদেশ তখনো জানত না, আরও বড় ঝড় আসছে সামনে।
এই ক্যাচ ফেলাটা কত বড় ভূমিকা রেখেছে ভারতের ইনিংসে? প্রথম ৬৩ বলে ৫২। পরের ৫৭ বলে ভারত তুলল ১১৪। ওই ক্যাচের আগে রান রেট যেখানে ছয়ের নিচে, পরের ৫৭ বলে সেটি গেল ১২তে! জীবন ফিরে পাওয়ার পর রোহিত ২৫ বলে করলেন ৬২। প্রথম দশ ওভারে মাত্র চারটি চার মারা ভারত, পরের দশ ওভার মারল ১১টি চার আর পাঁচটি ছক্কা!
অথচ তাসকিনের করা ইনিংসের প্রথম বলটা থেকেই বাংলাদেশ কী দুর্দান্ত শুরুটাই না করেছিল। দ্বিতীয় ওভারে আল-আমিন স্টাম্প উপড়ে ফেললেন শিখর ধাওয়ানের। মুস্তাফিজের তৈরি করা চাপ থেকে মুক্তি পেতে কোহলি যেন আত্মসমর্পণই করলেন মাশরাফির করা পঞ্চম ওভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে। অষ্টম ওভারে রায়নাকে বোল্ড করে দিলেন পার্টটাইম স্পিনার মাহমুদউল্লাহ। 
সবকিছু কেমন ভোজবাজির মতো বদলে যেতে থাকল একাদশ ওভারের তৃতীয় বলে রোহিত বেঁচে যাওয়ার পর। বদলে যাওয়ার ছবিটায় সবচেয়ে বড় চোখে বিঁধল—মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য! ভারতের বিপক্ষে এই প্রথম বোলিং করে উইকেট পেলেন না সেই আলোচিত তিন ওয়ানডের সিরিজে রেকর্ড ১৩ উইকেট নেওয়া এই পেসার!
ওই একটা ক্যাচ...ওই একটা ক্যাচ...!

11:30 PM Share:
http://worldcup-24.blogspot.com/


এই সেদিন শেষ হওয়া মাস্টার্স চ্যাম্পিয়নস লিগেও দুজনের কী দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশেও একই। অত দূর খুঁজতে হবে না, সর্বশেষ দশ ম্যাচের পারফরম্যান্সই দেখুন। একজনের পাঁচ ফিফটি, অন্যজনের ফিফটি একটা কম, সেটি আবার ‘পুষিয়ে’ দিয়েছেন সেঞ্চুরি করে!

শ্রীলঙ্কার সমর্থক না হলেও এই দুজনের ব্যাটিংয়ের ভক্ত হতে পারে যে কেউ। আর তাই আপনার অভিমান হতেই পারে। কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে, এত ভালোই যদি খেলবেন, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর কেন? ফিফটি-সেঞ্চুরি যদি করবেনই, সবুজ মাঠে শিল্পের ছোঁয়া দিয়ে যাওয়া শটগুলো যদি খেলবেনই, তবে দুবাইয়ের স্টেডিয়ামের অল্প কিছু দর্শকের সামনে ‘পিকনিক ক্রিকেটে’ কেন? আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর কিছুদিন খেলে গেলে কী এমন ক্ষতি হতো! কী দরকার ছিল শুধু শুধু এভাবে ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘশ্বাস বাড়ানোর?
দুজনের যেমন অভ্যাস, প্রশ্নটা শুনলে হয়তো মুচকি হেসে চুপটি করে দাঁড়িয়ে থাকবেন। সাধারণ দর্শকদের আক্ষেপটা তাতে শুধু বাড়বেই। দুয়ারে আরেকটি এশিয়া কাপ, তাতে সাঙ্গা-জয়া নেই!
১৬ বছর বয়সী এই শতাব্দীতে এর আগে ছয়টি এশিয়া কাপ হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ছয়বারই খেলেছে, ছয়টি দলে অনেক খেলোয়াড় পরিবর্তন হয়েছে। তবে সবগুলোতেই দুটি নাম ছিল ধ্রুবক—কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। এবারই ব্যতিক্রম।
এশিয়া কাপে তাঁদের দুজনের হাতের ছাপ অবশ্য এখনো রয়ে গেছে। দুবছর আগে সর্বশেষ এশিয়া কাপে মিরপুরের মাঠে যে দলকে চ্যাম্পিয়ন করে গেছেন। জিতিয়েছেন তার কদিন পরে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও, সেটিও শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই। আরেকবার মিরপুরে এশিয়া কাপ। এবারও থাকবে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তবু হয়তো ‘কী যেন একটা নেই’—অনুভূতিটা ফিরে ফিরে আসবে।
আসারই কথা। ক্রিকেট রোমান্টিকেরা অনুভব করবেন জয়াবর্ধনে-সাঙ্গাকারার শূন্যতা, ক্রিকেটও অনুভব করবে শ্রীলঙ্কান দুই নায়ককে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হওয়া প্রথম এই এশিয়া কাপে হয়তো অনেক রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচ হবে, ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে বড় অনেক ইনিংসও হয়তো দেখবেন, অনেক চার-ছক্কাও। টি-টোয়েন্টির মন্ত্রও তো তা-ই।
কিন্তু দিন শেষে এটি ক্রিকেটই। নিখাদ ক্রিকেটপ্রেমী চোখ হয়তো এর মধ্যেও তৃষ্ণা নিয়ে খুঁজে ফিরবে চোখে পরশ বোলানো কোনো কাভার ড্রাইভ, ক্রিকেট ব্যাকরণে ঋদ্ধ কোনো হুক-পুল। টি-টোয়েন্টির ধর্মে দীক্ষিত ডাকাবুকোদের ভিড়ে জয়াবর্ধনে-সাঙ্গাকারার চেয়ে ভালোভাবে সেটি কে করতে পারতেন!
জয়াবর্ধনে ছিলেন ব্যাটিং সৌন্দর্যের একনিষ্ঠ পূজারি। চোখের জন্য প্রশান্তির ছিল তাঁর ব্যাটিং। প্রতি শটে ব্যাট যেন বলে আদুরে পরশ বুলিয়ে যায়। মাঝেমধ্যে টি–টোয়েন্টির দাবি মেনে স্কুপ-টুপও খেলতেন। যেন দেখিয়ে দেওয়া, ‘দেখো, এখানেও আমি-ই মাস্টার’।
আর সাঙ্গাকারা? ক্রিকেট ব্যাকরণের ক্লাসে একেবারে ফার্স্ট বেঞ্চের ছাত্র। টি-টোয়েন্টিতেও ব্যাকরণ মেনে খেলার ব্যাপারে খুব একটা আপস করেননি। কিন্তু দর্শক বিনোদনের বিষয়ে কখনো আপস করেছেন?
অপরাধ হবে তাঁদের দুজনের স্মৃতিকথনে শুধু ব্যাটিং নিয়ে কথা বলাও। ব্যাটিংয়ের মতো শুদ্ধবাদী তো তাঁরা ছিলেন খেলার চেতনার দিক দিয়েও। ‘জেন্টলম্যানস গেমে’র দুই ‘ট্রু জেন্টলম্যান’! মাঠে বা মাঠের বাইরে। তবে ‘বিনয়’ শব্দটার মধ্যে যে একটা নীরস ভাব থাকে, সাঙ্গা-জয়া তো তেমনও নন। দুজনই শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ছিলেন, তাই সংবাদ সম্মেলনে অনেক বেশিই আসতে হতো। যেকোনো ক্রীড়াব্যক্তিত্বকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, সেসব সংবাদ সম্মেলন নিয়ে মজার অভিজ্ঞতার ঝুলি খুলে বসে যাবেন হয়তো। বিনয় মানে এমন নয়, আক্রমণাত্মক ছিলেন না। কিন্তু সেই আক্রমণাত্মক ভাষা কখনো কানে বেঁধেনি।
দুজন না থাকায় হয়তো প্রতিপক্ষ দলের জন্য একটু সুবিধাই হয়েছে। শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেদের টিম মিটিংয়ে মাশরাফি-ধোনি-আফ্রিদিরা হয়তো এটি ভেবে স্বস্তি বোধ করবেন। অবশ্য একটু খারাপও লাগতে পারে—চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়দের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যেই তো আনন্দটা সবচেয়ে বেশি!
অন্য দলগুলোর অধিনায়কদের মিশ্র অনুভূতি হতে পারে, কিন্তু অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস? কী ভাববেন টিম মিটিংয়ে বসে? হয়তো দুই কাঁধে দুই নায়কের হাতের নির্ভরতার ছোঁয়ার শূন্যতা অনুভব করবেন। হয়তো কেন? করবেন নিশ্চয়ই!
আর তাঁরা দুজন? মাঠে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বটাকে মাঠের বাইরেও নিয়ে গেছেন সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে। দুজনে মিলে শ্রীলঙ্কায় একটা রেস্তোরাঁয় বিনিয়োগ করেছেন। এবার এশিয়া কাপটা হয়তো ‘মিনিস্ট্রি অব ক্র্যাব’ নামের সেই রেস্তোরাঁয় টিভি পর্দায় দেখে কাটাবেন। কে জানে, খেলা দেখতে দেখতে হয়তো গোপন দীর্ঘশ্বাস বেরোবে দুজনেরই।
দীর্ঘশ্বাস বেরোবে আরও শত–সহস্র ক্রিকেটপ্রেমীরও।
india vs sri lanka 2016

মনে পড়বে ওই দুজনকে

http://worldcup-24.blogspot.com/


এই সেদিন শেষ হওয়া মাস্টার্স চ্যাম্পিয়নস লিগেও দুজনের কী দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশেও একই। অত দূর খুঁজতে হবে না, সর্বশেষ দশ ম্যাচের পারফরম্যান্সই দেখুন। একজনের পাঁচ ফিফটি, অন্যজনের ফিফটি একটা কম, সেটি আবার ‘পুষিয়ে’ দিয়েছেন সেঞ্চুরি করে!

শ্রীলঙ্কার সমর্থক না হলেও এই দুজনের ব্যাটিংয়ের ভক্ত হতে পারে যে কেউ। আর তাই আপনার অভিমান হতেই পারে। কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে, এত ভালোই যদি খেলবেন, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর কেন? ফিফটি-সেঞ্চুরি যদি করবেনই, সবুজ মাঠে শিল্পের ছোঁয়া দিয়ে যাওয়া শটগুলো যদি খেলবেনই, তবে দুবাইয়ের স্টেডিয়ামের অল্প কিছু দর্শকের সামনে ‘পিকনিক ক্রিকেটে’ কেন? আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর কিছুদিন খেলে গেলে কী এমন ক্ষতি হতো! কী দরকার ছিল শুধু শুধু এভাবে ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘশ্বাস বাড়ানোর?
দুজনের যেমন অভ্যাস, প্রশ্নটা শুনলে হয়তো মুচকি হেসে চুপটি করে দাঁড়িয়ে থাকবেন। সাধারণ দর্শকদের আক্ষেপটা তাতে শুধু বাড়বেই। দুয়ারে আরেকটি এশিয়া কাপ, তাতে সাঙ্গা-জয়া নেই!
১৬ বছর বয়সী এই শতাব্দীতে এর আগে ছয়টি এশিয়া কাপ হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ছয়বারই খেলেছে, ছয়টি দলে অনেক খেলোয়াড় পরিবর্তন হয়েছে। তবে সবগুলোতেই দুটি নাম ছিল ধ্রুবক—কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। এবারই ব্যতিক্রম।
এশিয়া কাপে তাঁদের দুজনের হাতের ছাপ অবশ্য এখনো রয়ে গেছে। দুবছর আগে সর্বশেষ এশিয়া কাপে মিরপুরের মাঠে যে দলকে চ্যাম্পিয়ন করে গেছেন। জিতিয়েছেন তার কদিন পরে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও, সেটিও শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই। আরেকবার মিরপুরে এশিয়া কাপ। এবারও থাকবে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তবু হয়তো ‘কী যেন একটা নেই’—অনুভূতিটা ফিরে ফিরে আসবে।
আসারই কথা। ক্রিকেট রোমান্টিকেরা অনুভব করবেন জয়াবর্ধনে-সাঙ্গাকারার শূন্যতা, ক্রিকেটও অনুভব করবে শ্রীলঙ্কান দুই নায়ককে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হওয়া প্রথম এই এশিয়া কাপে হয়তো অনেক রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচ হবে, ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে বড় অনেক ইনিংসও হয়তো দেখবেন, অনেক চার-ছক্কাও। টি-টোয়েন্টির মন্ত্রও তো তা-ই।
কিন্তু দিন শেষে এটি ক্রিকেটই। নিখাদ ক্রিকেটপ্রেমী চোখ হয়তো এর মধ্যেও তৃষ্ণা নিয়ে খুঁজে ফিরবে চোখে পরশ বোলানো কোনো কাভার ড্রাইভ, ক্রিকেট ব্যাকরণে ঋদ্ধ কোনো হুক-পুল। টি-টোয়েন্টির ধর্মে দীক্ষিত ডাকাবুকোদের ভিড়ে জয়াবর্ধনে-সাঙ্গাকারার চেয়ে ভালোভাবে সেটি কে করতে পারতেন!
জয়াবর্ধনে ছিলেন ব্যাটিং সৌন্দর্যের একনিষ্ঠ পূজারি। চোখের জন্য প্রশান্তির ছিল তাঁর ব্যাটিং। প্রতি শটে ব্যাট যেন বলে আদুরে পরশ বুলিয়ে যায়। মাঝেমধ্যে টি–টোয়েন্টির দাবি মেনে স্কুপ-টুপও খেলতেন। যেন দেখিয়ে দেওয়া, ‘দেখো, এখানেও আমি-ই মাস্টার’।
আর সাঙ্গাকারা? ক্রিকেট ব্যাকরণের ক্লাসে একেবারে ফার্স্ট বেঞ্চের ছাত্র। টি-টোয়েন্টিতেও ব্যাকরণ মেনে খেলার ব্যাপারে খুব একটা আপস করেননি। কিন্তু দর্শক বিনোদনের বিষয়ে কখনো আপস করেছেন?
অপরাধ হবে তাঁদের দুজনের স্মৃতিকথনে শুধু ব্যাটিং নিয়ে কথা বলাও। ব্যাটিংয়ের মতো শুদ্ধবাদী তো তাঁরা ছিলেন খেলার চেতনার দিক দিয়েও। ‘জেন্টলম্যানস গেমে’র দুই ‘ট্রু জেন্টলম্যান’! মাঠে বা মাঠের বাইরে। তবে ‘বিনয়’ শব্দটার মধ্যে যে একটা নীরস ভাব থাকে, সাঙ্গা-জয়া তো তেমনও নন। দুজনই শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ছিলেন, তাই সংবাদ সম্মেলনে অনেক বেশিই আসতে হতো। যেকোনো ক্রীড়াব্যক্তিত্বকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, সেসব সংবাদ সম্মেলন নিয়ে মজার অভিজ্ঞতার ঝুলি খুলে বসে যাবেন হয়তো। বিনয় মানে এমন নয়, আক্রমণাত্মক ছিলেন না। কিন্তু সেই আক্রমণাত্মক ভাষা কখনো কানে বেঁধেনি।
দুজন না থাকায় হয়তো প্রতিপক্ষ দলের জন্য একটু সুবিধাই হয়েছে। শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেদের টিম মিটিংয়ে মাশরাফি-ধোনি-আফ্রিদিরা হয়তো এটি ভেবে স্বস্তি বোধ করবেন। অবশ্য একটু খারাপও লাগতে পারে—চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়দের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যেই তো আনন্দটা সবচেয়ে বেশি!
অন্য দলগুলোর অধিনায়কদের মিশ্র অনুভূতি হতে পারে, কিন্তু অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস? কী ভাববেন টিম মিটিংয়ে বসে? হয়তো দুই কাঁধে দুই নায়কের হাতের নির্ভরতার ছোঁয়ার শূন্যতা অনুভব করবেন। হয়তো কেন? করবেন নিশ্চয়ই!
আর তাঁরা দুজন? মাঠে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বটাকে মাঠের বাইরেও নিয়ে গেছেন সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে। দুজনে মিলে শ্রীলঙ্কায় একটা রেস্তোরাঁয় বিনিয়োগ করেছেন। এবার এশিয়া কাপটা হয়তো ‘মিনিস্ট্রি অব ক্র্যাব’ নামের সেই রেস্তোরাঁয় টিভি পর্দায় দেখে কাটাবেন। কে জানে, খেলা দেখতে দেখতে হয়তো গোপন দীর্ঘশ্বাস বেরোবে দুজনেরই।
দীর্ঘশ্বাস বেরোবে আরও শত–সহস্র ক্রিকেটপ্রেমীরও।

11:18 PM Share:

Monday, February 22, 2016

http://worldcup-24.blogspot.com/

সমীকরণটা সহজ নয় তাঁদের জন্য। এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে হলে নিজেদের ম্যাচে আফগানিস্তানকে তো জিততে হতোই, আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের কাছে হারতে হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। পরের ম্যাচে কী হবে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তবে নিজেদের কাজটা ঠিকই গুছিয়ে রাখল আফগানরা। দিনের প্রথম ম্যাচে হংকংকে ৬৬ রানে হারিয়েছে আসগর স্টানিকজাইয়ের দল।

ব্যাটিংই আফগানিস্তানকে এগিয়ে দিয়েছিল অনেকটা। ১৭৮ বেশ স্বস্তিদায়ক একটা স্কোর। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু এনে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ শাহজাদ। তাঁর ১৪ বলে ২৪ রানে ভর করেই পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৪৮ রান করে আফগানিস্তান। এরপরের গল্পটা অধিনায়ক স্টানিকজাই ও পাঁচে নামা নজিবুল্লাহ জাদরানের। স্টানিকজাইয়ের অবশ্য একটু আক্ষেপ থাকতে পারে। এক রানের জন্য যে ব্যক্তিগত ফিফটিটা পেলেন না, ৩৫ বলে করেছেন ৪৯ রান। 
তবে এঁরা পার্শ্বনায়ক, আজ ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের মূল নায়ক নজিবুল্লাহই। বাছাইপর্বের আগের দুটি ম্যাচেই মধ্য বিশের ঘরে আউট হয়ে গেছেন। আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে জ্বলে উঠলেন ছয়দিন পর ২৩ বছরে পা দিতে যাওয়া এই আফগান ব্যাটসম্যান। ৩৫ বলে খেলেছেন ৬০ রানের দারুণ এক ইনিংস, যাতে চার ৩টি, ছক্কা ৪টি। 

লক্ষ্য ১৭৯ দেখেই সম্ভবত বাছাইপর্বে একটিও ম্যাচ না জেতা হংকংয়ের মনোবল নড়ে গিয়েছিল। না হলে দারুণ শুরু করেও ওভাবে চাপে ভেঙে পড়বে কেন তারা? ৬.২ ওভারেই ৫৬ রান তুলে ফেলা হংকং পরের ৫৬ রান করতেই হারিয়ে ফেলে সবকটি উইকেট! দলের ৩ থেকে ১০—কোনো ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। বিফলে গেছে দুই ওপেনার অংশুমান রাথ ও কিঞ্চিৎ​ শাহের ‘কিঞ্চিৎ​’ চেষ্টা। রাথ করেছেন ৪১ রান, শাহ ২৯। 

দল টুর্নামেন্টের মূল পর্বে উঠতে পারবে কি না সেটি এখনো ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। তবে আফগান কোচ ইনজামাম-উল-হক দলের জয়ের পাশাপাশি খুশি হবেন আরেকটি ব্যাপারেও— দলের সবচেয়ে বড় তারকা মোহাম্মদ নবীর বোলিং। আগের দুই ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিং কোনোটিতেই খুব বেশি অবদান রাখতে না পারা নবীই ধসিয়ে দিয়েছেন হংকংকে। ১৭ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট! তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো।
t20

নিজেদের কাজ গুছিয়ে রাখল আফগানিস্তান

http://worldcup-24.blogspot.com/

সমীকরণটা সহজ নয় তাঁদের জন্য। এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে হলে নিজেদের ম্যাচে আফগানিস্তানকে তো জিততে হতোই, আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের কাছে হারতে হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। পরের ম্যাচে কী হবে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তবে নিজেদের কাজটা ঠিকই গুছিয়ে রাখল আফগানরা। দিনের প্রথম ম্যাচে হংকংকে ৬৬ রানে হারিয়েছে আসগর স্টানিকজাইয়ের দল।

ব্যাটিংই আফগানিস্তানকে এগিয়ে দিয়েছিল অনেকটা। ১৭৮ বেশ স্বস্তিদায়ক একটা স্কোর। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু এনে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ শাহজাদ। তাঁর ১৪ বলে ২৪ রানে ভর করেই পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৪৮ রান করে আফগানিস্তান। এরপরের গল্পটা অধিনায়ক স্টানিকজাই ও পাঁচে নামা নজিবুল্লাহ জাদরানের। স্টানিকজাইয়ের অবশ্য একটু আক্ষেপ থাকতে পারে। এক রানের জন্য যে ব্যক্তিগত ফিফটিটা পেলেন না, ৩৫ বলে করেছেন ৪৯ রান। 
তবে এঁরা পার্শ্বনায়ক, আজ ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের মূল নায়ক নজিবুল্লাহই। বাছাইপর্বের আগের দুটি ম্যাচেই মধ্য বিশের ঘরে আউট হয়ে গেছেন। আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে জ্বলে উঠলেন ছয়দিন পর ২৩ বছরে পা দিতে যাওয়া এই আফগান ব্যাটসম্যান। ৩৫ বলে খেলেছেন ৬০ রানের দারুণ এক ইনিংস, যাতে চার ৩টি, ছক্কা ৪টি। 

লক্ষ্য ১৭৯ দেখেই সম্ভবত বাছাইপর্বে একটিও ম্যাচ না জেতা হংকংয়ের মনোবল নড়ে গিয়েছিল। না হলে দারুণ শুরু করেও ওভাবে চাপে ভেঙে পড়বে কেন তারা? ৬.২ ওভারেই ৫৬ রান তুলে ফেলা হংকং পরের ৫৬ রান করতেই হারিয়ে ফেলে সবকটি উইকেট! দলের ৩ থেকে ১০—কোনো ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। বিফলে গেছে দুই ওপেনার অংশুমান রাথ ও কিঞ্চিৎ​ শাহের ‘কিঞ্চিৎ​’ চেষ্টা। রাথ করেছেন ৪১ রান, শাহ ২৯। 

দল টুর্নামেন্টের মূল পর্বে উঠতে পারবে কি না সেটি এখনো ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। তবে আফগান কোচ ইনজামাম-উল-হক দলের জয়ের পাশাপাশি খুশি হবেন আরেকটি ব্যাপারেও— দলের সবচেয়ে বড় তারকা মোহাম্মদ নবীর বোলিং। আগের দুই ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিং কোনোটিতেই খুব বেশি অবদান রাখতে না পারা নবীই ধসিয়ে দিয়েছেন হংকংকে। ১৭ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট! তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো।

10:02 PM Share:

Sunday, February 21, 2016

এশিয়া কাপে অংশ নিতে রোববার দুপুরে ঢাকায় আসছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। ভারতীয় দল আসছে রাতে।

 

রোববার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলকে বহনকারী বিমান। রাত ৮টা ৪০ মিনিটে আসবে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত।

 

টানা তৃতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের আয়োজকের দায়িত্বে বাংলাদেশ। তবে টুর্নামেন্টটি এবারই প্রথম টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হতে যাচ্ছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মূল পর্বের খেলা শুরু হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও স্বাগতিক বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ বাছাইপর্বের সেরা দলের বিপক্ষে।

 

এশিয়ার আরেক পরাশক্তি পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে ২৭ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা আরব আমিরাতে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে ব্যস্ত আছেন। ২৩ তারিখ পিএসএলের পর্দা নামবে। পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) ঢাকায় পা রাখবে ২০১২ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

 

বাংলাদেশেই চলছে এশিয়া কাপের চার দলের বাছাইপর্ব। আইসিসির চার সহযোগী দেশ আফগানিস্তান, আরব আমিরাত, হংকং ও ওমান একে অপরের বিপক্ষে লড়ছে। শীর্ষ দল জায়গা পাবে মূল মঞ্চে।

t20

দুপুরে আসছে শ্রীলঙ্কা, রাতে ভারত

এশিয়া কাপে অংশ নিতে রোববার দুপুরে ঢাকায় আসছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। ভারতীয় দল আসছে রাতে।

 

রোববার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলকে বহনকারী বিমান। রাত ৮টা ৪০ মিনিটে আসবে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত।

 

টানা তৃতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের আয়োজকের দায়িত্বে বাংলাদেশ। তবে টুর্নামেন্টটি এবারই প্রথম টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হতে যাচ্ছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মূল পর্বের খেলা শুরু হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও স্বাগতিক বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ বাছাইপর্বের সেরা দলের বিপক্ষে।

 

এশিয়ার আরেক পরাশক্তি পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে ২৭ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা আরব আমিরাতে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে ব্যস্ত আছেন। ২৩ তারিখ পিএসএলের পর্দা নামবে। পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) ঢাকায় পা রাখবে ২০১২ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

 

বাংলাদেশেই চলছে এশিয়া কাপের চার দলের বাছাইপর্ব। আইসিসির চার সহযোগী দেশ আফগানিস্তান, আরব আমিরাত, হংকং ও ওমান একে অপরের বিপক্ষে লড়ছে। শীর্ষ দল জায়গা পাবে মূল মঞ্চে।

11:32 AM Share:

Friday, November 13, 2015

http://worldcup-24.blogspot.com/

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তানের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে এ বছর সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে টাইগারদের সাফল্যের হার ৬৮ শতাংশ

চলতি বছর এখন পর্যন্ত (৯ নভেম্বরের ম্যাচ বাদে) টাইগাররা ১৬ ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে ১১টিতে। যা টাইগারদের ম্যাচ জয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে।২০১৫ সালে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। দলটির সাফল্যে হার ৭৫ শতাংশ।
তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ভারত। আর সবশেষ ‍অবস্থানে আয়ারল্যান্ড।
cricket

অস্ট্রেলিয়ার পরেই বাংলাদেশ

http://worldcup-24.blogspot.com/

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তানের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে এ বছর সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে টাইগারদের সাফল্যের হার ৬৮ শতাংশ

চলতি বছর এখন পর্যন্ত (৯ নভেম্বরের ম্যাচ বাদে) টাইগাররা ১৬ ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে ১১টিতে। যা টাইগারদের ম্যাচ জয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে।২০১৫ সালে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। দলটির সাফল্যে হার ৭৫ শতাংশ।
তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ভারত। আর সবশেষ ‍অবস্থানে আয়ারল্যান্ড।

8:16 PM Share:

Sunday, November 1, 2015


বিপিএলের তৃতীয় আসরে টাইটেল স্পন্সর নির্বাচিত হয়েছে বিআরবি কেবল। আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়া হয় বিসিবির পক্ষ থেকে। এ সময় নতুন আসরের লোগোও উন্মোচন করা হয়।

লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআরবি কেবলের পরিচালক মেজবাহ রহমান। বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আর্ডেন মাত্রার প্রতিনিধি সামাউল আরেফিন। বিআরবি কেবলের পরিচালক মেজবাহ রহমান বলেন, ক্রিকেটের জনপ্রিয়তার কারণেই মূলত, আমরা এই আসরের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও চেষ্টা থাকবে অন্যান্য আসরগুলোতেও নিজেদের সম্পৃক্ত করে নেয়ার।  পরে জালাল ইউনুস ও মেজবাহ রহমান একসঙ্গে বিপিএলের তৃতীয় আসরের লোগো উন্মোচন করেছেন। (Collected).

cricket

বিপিএলের তৃতীয় আসরে টাইটেল স্পন্সর বিআরবি কেবল


বিপিএলের তৃতীয় আসরে টাইটেল স্পন্সর নির্বাচিত হয়েছে বিআরবি কেবল। আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়া হয় বিসিবির পক্ষ থেকে। এ সময় নতুন আসরের লোগোও উন্মোচন করা হয়।

লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআরবি কেবলের পরিচালক মেজবাহ রহমান। বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আর্ডেন মাত্রার প্রতিনিধি সামাউল আরেফিন। বিআরবি কেবলের পরিচালক মেজবাহ রহমান বলেন, ক্রিকেটের জনপ্রিয়তার কারণেই মূলত, আমরা এই আসরের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও চেষ্টা থাকবে অন্যান্য আসরগুলোতেও নিজেদের সম্পৃক্ত করে নেয়ার।  পরে জালাল ইউনুস ও মেজবাহ রহমান একসঙ্গে বিপিএলের তৃতীয় আসরের লোগো উন্মোচন করেছেন। (Collected).

11:44 AM Share:

Sunday, October 18, 2015

লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচের ৩০ মিনিট, টনি ক্রুসের পাস থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো রিয়ালকে এগিয়ে নিয়ে গেলেন ২-০ গোলে। পাশাপাশি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৩২৪ তম গোলটি করে হয়ে রাউল গঞ্জালেসকে পেছনে ফেলে একক ভাবে হয়ে গেলেন ক্লাবটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। 

রোনালদোর রেকর্ডের ম্যাচে লেভান্তেকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লিগায় শীর্ষস্থানটা আপাতত ধরে রেখেছে রিয়াল। রোনালদো নিজে গোল করার আগে মার্সেলোকে দিয়ে একটি গোল করিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে আরো একটি গোল করেন হেসে। রিয়ালের জার্সিতে রোনালদোর গোল সংখ্যা ৩২৪টি। অবসরে যাওয়া রাউল রিয়ালের হয়ে করেছেন ৩২৩ গোল। এ ছাড়া ৩০৮ গোল করেছেন ডি স্টিফানো ও ২৮৯ গোল কেরছেন সান্টিলানা। গোল ডটকম।

ronaldo

রাউলকে ছাড়িয়ে সবার উপরে রোনালদো

লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচের ৩০ মিনিট, টনি ক্রুসের পাস থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো রিয়ালকে এগিয়ে নিয়ে গেলেন ২-০ গোলে। পাশাপাশি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৩২৪ তম গোলটি করে হয়ে রাউল গঞ্জালেসকে পেছনে ফেলে একক ভাবে হয়ে গেলেন ক্লাবটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। 

রোনালদোর রেকর্ডের ম্যাচে লেভান্তেকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লিগায় শীর্ষস্থানটা আপাতত ধরে রেখেছে রিয়াল। রোনালদো নিজে গোল করার আগে মার্সেলোকে দিয়ে একটি গোল করিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে আরো একটি গোল করেন হেসে। রিয়ালের জার্সিতে রোনালদোর গোল সংখ্যা ৩২৪টি। অবসরে যাওয়া রাউল রিয়ালের হয়ে করেছেন ৩২৩ গোল। এ ছাড়া ৩০৮ গোল করেছেন ডি স্টিফানো ও ২৮৯ গোল কেরছেন সান্টিলানা। গোল ডটকম।

3:08 PM Share:

Category

Football cricket Bangladesh sports worldcup 2015 plays games Video Pakistan india shakib Asian games Laa League west indies srilanka tiger English Premier League Europe Football Players Profile brazil hockey messi IPL real madrid win Australia BCB Bangladesh Vs Pakistan game t20 BPL Bangladesh Cricket asia cup 2016 banglawash bersilona fifa germany record ronaldo south Africa spanish league League amir couch dhaka test Cricket Bangladesh & Pakistan English Golf ICC Kolkata Newzerland South Korea UAE afridi al-amin child club england india vs bangladesh 2016 india vs bangladesh live streaming japan naimer national team odi one day rank sabbir sachin sami-final stadium taizul tamim taskin tennis whitewash wicket woman world hockey 1992 19th 2 2006 2014 2018 2022 2nd 5 68 950 Afghanistan Bangladesh vs India Copa America Cricket Bangladesh Cricket Bangladesh & India Gazi Italy Italy League Khulna Man Nepal Song Tank Tv guide bankhum bat bigbash bijoy bolt boot bowler bulbul captain center chittagong complain cricket live cup dev di dollor france gail gaza goal gold habibul help history hughes india cricket team india vs bangladesh india vs bangladesh live cricket streaming india vs sri lanka 2016 indian express jobair jubair life loss mahala mahela mahmudullah mario gotza matrin milan mominul ms dhoni name nasir new open pele personal race rahul razak riyed rohit rokibulhasan sakib sell serena williams shak jamal shohag gazi shoumya sorkar shuvo sick siddaq son sylhet team ticket virat kohli visa waker wasim akram world

Recent News

Proudly Powered by WorldCup.
back to top